'ডটপেন ডট ইন', দ্বিতীয় বর্ষ পঞ্চম সংখ্যা প্রকাশিত হলো। সময়ের নিরিখে এটা আগস্ট মাস। বাংলায় শ্রাবণ। রবি ঠাকুরের ভাষায় ক্ষ্যাপা শ্রাবণ। আমাদের দেশ বা রাজ্য যাই বলি না কেন তা ভৌগোলিক বিচারে নদীমাতৃক।
আর এই তুমুল শ্রাবণে সেই নদীমাতৃক দেশ বা রাজ্যের অনেক জায়গাই এখন বন্যা প্লাবিত। নদীর পাড় ভেঙ্গে তলিয়ে গেছে তীরবর্তী বহু ঘরবাড়ি, কৃষিযোগ্য জমি। বহু জায়গায় জলবন্দী মানুষ গুনে চলেছ দুর্দশার দিন। কবে এই বন্যার কবল থেকে রেহাই পাবো আমরা? নাকি, এই বন্যা মানুষেরই সৃষ্টি এই নিয়ে চাপান-উতোরেই কেটে যাবে বছরের পর বছর। সত্যিই সময় এসেছে বিষয়টি ভেবে দেখার। উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্ৰহণের জন্য আর বেশি সময় নেওয়া চলে না।
এরই পাশাপাশি উঠে এসেছে আরও একটি গভীর সঙ্কট। সেটা হল পাহাড়ি এলাকায় মেঘ ভেঙ্গে বৃষ্টি। আর তার ফলস্রুতিতে হড়পা বানে মুহুর্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া পাহাড়ি জনপদ। পরিবেশবিদদের মতে যত নির্বিচারে পাহাড় ফাটিয়ে বন কেটে গড়ে উঠবে শৈল শহর জনপদ, ঢল নামবে ভ্রমণার্থীদের, বাড়বে উষ্ণায়ন, ততই ধ্বংস হবে পরিবেশ ও তার ভারসাম্য। প্রকৃতিও তখন তার শোধ তুলবে নানা উপায়ে। কাজে কাজেই প্রকৃতির নিষ্ঠুর নির্মম খামখেয়ালিপনাকে রুখতে হলে মানুষকেও হতে হবে বিচক্ষণ, সাবধানী।
মানুষকে চিনতে হবে, বুঝতে হবে প্রকৃতিকে পা মেপে মেপে। নাহলে শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর। ভাবতে থাকি সবাই...
১৫ আগস্ট, ২০২৫