একটা মেয়ে, স্বপ্ন অনেক, মাথার উপর চাঁদ।
জীবন ভাঙে, ব্যাথার কলম। ধৈর্য নামক বাঁধ।
রুটিন চেক-আপ। তারপরে এক ক্লান্তি-মাখা রাতে,
বাইরে একটা ঝড়ও ছিল। একটু অপেক্ষাতে।
এমন যাদের জীবন সোহাগ। পিঠের পরে খিল।
আমার শহর জুড়ে এমন হাজারো লক্ষ্মী।
তারপরে সেই দহন-জ্বালা, কলঙ্কময় রাত।
খুবলে খেল একটা শরীর।... এবং কিছু হাত।
দু'চোখ জুড়ে যন্ত্রণা আর রক্তে মাখা ঘর।
একলা ঘরে রইলো পড়ে, নিথর মেয়ের ধড়।
জানি, এমন লক্ষ্মী অনেক ফুঁসছে এখন ক্রোধে।
হয়তো, তাদের জোর খাটেনা একটু প্রতিরোধের।
একটা শহর জাগবে যেদিন হাজার হাজার লোকে -
জ্যান্ত মহাকালীর লীলা দেখবে নিজের চোখে।
এমন দিনে স্বয়ং দেবীর জাগরনের সভায়,
সকল মেয়ের চোখের ভাষা বুঝবে সেদিন সবাই।
নোংরা যদি এসে লাগে মায়ের গায়ে... ঠোঁটে -
চাইবো মা লক্ষ্মী যেন চণ্ডী হয়ে ওঠে।
সত্যিই মা লক্ষ্মী যেন চন্ডী হয়ে ওঠে।