একই এরিয়ার এ-পাড়ার পড়ন্ত বিকেল আর ও-পাড়ার ডাগর সন্ধের
দেখাদাখি হলে পুকুর পাড়ে পাকুড় গাছটি রাংতার রঙে রাঙা হয়ে উঠত
বেমক্কা উচ্ছ্বাসে নাটুকে বাতাস বিলি কেটে দিত থিতানো জলের শরীর —
সারা এলাকাজুড়ে দু'টো ছাদেয় শুধু ভূকম্প শুরু হত সকলের অজান্তে।
পরিপাটি ভাঁজ, ফিটফাট সিধে টেরি, ফুরফুরে বিকেল ও হালকা টি-সার্ট
ক্রিজ ভাঙা পাঞ্জাবি; বিনুনি খোলা মৃদু সন্ধের একা আনমনা পায়চারি —
আবছা আঁধারে কিচ্ছুটি নয়, আড়চোখে শুধু চোখের দেখাটুকু চুরি করা।
রুপোর কয়েন ছড়ানো নবাবি বিকেল এখন আর মহাজাগতিক সন্ধের
বুকে ডোবে না; দিনের পায়ে অন্তিম নৈবেদ্যর মতো অপরাহ্নের শূন্য
রেকাবে আজ হলদেটে আলো — কালো ছোপ-ছোপ তীব্র সময়ের আঁচড়
আসন্ন রঙিন রাতের সোনালি চতুর্ভূজে সন্ধে এগোয় ভুলভুলাইয়ার পথে।
অযথা রেজগি সমস্যা আর পাবলিকের আলটপকা মন্তব্যের জেরে জেরবার
আটপৌরে বিকেল এখন পিচ-ওঠা রাস্তায় লজঝড়ে বাসের প্রতিমূর্তি যেন।