পরিবেশ ও বিজ্ঞান

ভারতে মহাকাশ গবেষণার সূচনা - স্বপ্ন থেকে বাস্তব



সঙ্গীতা দে সরকার


বিগত পাঁচ বছরে ভারতবর্ষের সাফল্যের কথা বলতে গেলে প্রথমেই মাথায় আসবে মহাকাশ গবেষণার কথা। চন্দ্রযান, মঙ্গল অভিযান, আদিত্য L1 - এই শব্দগুলো এখন ভারতবর্ষের প্রতিটি মানুষের কাছে পরিচিত। আদিত্য L1-কে কক্ষে স্থাপন, চাঁদের বুকে চন্দ্রযানের অবতরণ দেখতে দেখতে আমরা সবাই ভারতীয় হিসাবে গর্ববোধ করেছি। এই সাফল্য কিন্তু একদিনে আসেনি। অবশ্যই বিজ্ঞানী প্রযুক্তিবিদদের মেধা, পরিশ্রম দূরদর্শিতার ফলেই আজকের দিন দেখা সম্ভব হয়েছে। যদি একদম শুরুর দিকের কথা ভাবি - খুব মসৃণ ছিল না এই যাত্রাপথ। সেই টলোমলো দিনগুলোর কথা জানলে আজকের এই সাফল্য আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে।

মহাকাশ বিজ্ঞানে ভারতের যাত্রা শুরু ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে। আণবিক শক্তি কমিশনের (ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাটমিক এনার্জি - DAE) অধীনে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ইনকোম্পার (ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি ফর স্পেস রিসার্চ - INCOSPAR) নামক একটি কমিটি। দায়িত্ব ছিল, ভারতবর্ষে উপযুক্ত মহাকাশ গবেষণা সংস্থা গড়ে তোলা এবং তার কার্যপদ্ধতি ঠিক করা। নেতৃত্বে ছিলেন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম সারাভাই। এই সময় মহাকাশ বিজ্ঞানের অগ্রগতি সম্পর্কে একটা ধারণা করতে গেলে চোখ রাখতে হবে দেশের বাইরে। মহাকাশ বিজ্ঞানের গবেষণায় পথিকৃৎ অবিভক্ত সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত উৎক্ষেপন করেছে পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মহাকাশ যুগের সূচনা হল এর সাথে। একমাস পরেই দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-২-তে চড়ে মহাকাশে গেল লাইকা নামের কুকুর। লাইকার কথা তো আমরা সবাই জানি - এই প্রথম মহাকাশে কোনো জীবিত প্রাণীর অভিযান। সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্র আর আমেরিকার ঠান্ডা যুদ্ধের আরেক উপাদান হয়ে দাঁড়াল মহাকাশ গবেষণা।

এবার দেশের দিকে ঘুরে তাকাই। স্বাধীনতা তখনও সাবালক হয়নি। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আর্থিক শোষণ, দেশভাগের ভয়াবহতা পেরিয়ে দেশ সামাজিক এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। এমতাবস্থায় মহাকাশ গবেষণায় সরকারের অর্থ বিনিয়োগ সম্ভব কিনা, উচিত কি এই বিলাসিতায় গা ভাসানো - এই প্রশ্ন এমনকি বিজ্ঞানীদেরও মনে। একটি মানুষের মনে ছিল না কোনো দ্বিধা। তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে বলতে পেরেছিলেন, দেশের মানুষেরই উন্নতির জন্য মহাকাশ বিজ্ঞানে সরকারের অর্থ বিনিয়োগ করা উচিত। তিনি বিক্রম সারাভাই। তাঁর বিশ্বাস ছিল - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই পারে দেশের আর্থসামাজিক প্রগতি ত্বরান্বিত করতে। ফরাসী মহাকাশ গবেষণা সংস্থার অধিকর্তা জ্যাকস ব্ল্যাকের সঙ্গে আলাপচারিতায় সারাভাই তুলে ধরেছিলেন তাঁর স্বপ্ন - "Imagine a central station transmitting to a satellite education programmes prepared by excellent professors somewhere in a specialized organisation, and the satellite relaying these programmes to tens of thousands of villages, where television receivers would display them to the local farmers. In the case of India, 82 per cent of the population is dispersed in 560,000 villages. The main reason for poverty and starvation is ignorance. To find 560,000 trained teachers is out of the question, but it could be possible to find as many television receivers. The impact on the intellectual level of the masses would be immediate and immense".

প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর নেতৃত্বে ভারত সরকার মহাকাশ গবেষণার প্রয়োজনীয়তা মেনে নিলেন। বিক্রম সারাভাই-এর প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথমে একটি উৎক্ষেপণ কেন্দ্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা এবং সারাভাই খোঁজ করতে লাগলেন উপযুক্ত জায়গা। কেরালার রাজধানী ত্রিবান্দ্রাম দিয়ে চৌম্বক মধ্যরেখা যাওয়ার ফলে, মহাজাগতিক রশ্মি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য জায়গাটি আদর্শ। ওই অঞ্চলের থুম্বা নামক একটি জেলেদের গ্রাম সবদিক থেকে ঠিক মনে হল ওঁদের। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানমহলে ডঃ বিক্রম সারাভাই-এর দৌত্যে, মধ্যরেখার কাছাকাছি অঞ্চলে রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র তৈরি নিয়ে সাড়া পড়েছিল। আসলে ১৯৬৪ ছিল মহাজাগতিক গবেষণার ক্ষেত্রে একটা বিশেষ সময়। আন্তর্জাতিকভাবে এই বছরকে 'International Quiet Sun Year' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। এই সময়কালকে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজে লাগিয়েছিলেন বিজ্ঞানী সারাভাই। তিনি বুঝেছিলেন যেহেতু ভারতে রকেট তৈরির প্রযুক্তি তখন অজানা, তাই শুরুর দিকে অন্য দেশের সাহায্য অবশ্য প্রয়োজন। না হলে, মহাকাশ গবেষণা শুরু হতে লেগে যাবে অনেকটা সময়। তাই ভারতবর্ষের উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে যদি অন্যদেশকেও গবেষণার সুযোগ দেওয়া যায়, তাহলে তাদের থেকে সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। তিনি ভারতবর্ষের পক্ষে UN (United Nations)-কে এই আদান-প্রদানের প্রস্তাব দিলেন। সাদরে তা গৃহীত হল। চুক্তি করা হল মহাকাশ গবেষণায় এগিয়ে থাকা আমেরিকা, সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ইত্যাদি দেশের সঙ্গে। থুম্বা থেকে চুক্তির আওতায় থাকা দেশগুলি গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় রকেট উৎক্ষেপণ করতে পারবে এবং পরিবর্তে ভারতবর্ষকে মহাকাশ গবেষণা শুরুর প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সরবরাহ করবে। আগেই বলেছি, সেই সময় থুম্বা ছিল জেলেদের একটি ছোট্ট গ্রাম। গোটা গ্রামে একটিমাত্র পাকা বাড়ি - একটি গির্জা। গির্জা হয়ে দাঁড়াল ল্যাবরেটরি আর বিশপের বাড়ি অফিস হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হল। ভারতে মহাকাশ যুগের সূচনার গল্প যেন মিলে যায় - মা দুর্গাকে দেবতারা যেভাবে মহিষাসুর বধের প্রয়োজনে অস্ত্র প্রদান করেছিলেন সেই পৌরাণিক কাহিনীর সাথে। বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছিল প্রথম উৎক্ষেপণের প্রয়োজনীয় উপকরণ। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র দিল রকেট, ফ্রান্স থেকে পাওয়া গেল সোডিয়াম বাষ্পের পেলোড (Sodium Vapour Payload), হেলিকপ্টার ও কম্পিউটার এল সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্র থেকে। তৈরি হল আন্তর্জাতিক Thumba Equatorial Rocket Launching Station (TERLS)I উৎক্ষেপণের আগে রকেটের অংশগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সাইকেলে। সাইকেল থেকে মহাকাশ - এ যেন রূপকথা। সেই সময় মহাকাশ গবেষণায় যুক্ত ভারতবর্ষের প্রতিটি মানুষ প্রমাণ করে দিয়েছেন দেশের উন্নতির জন্য দুর্দম ইচ্ছা থাকলে কোনো অসম্ভব পরিস্থিতিই বাধা হয়ে উঠতে পারে না। এভাবেই ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দের ২১ নভেম্বর TERLS থেকে রকেট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে খুব ছোট করেই ভারতে মহাকাশ যুগের সূচনা হয়।

'খুব ছোট করে' এই বিশেষণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৎকালীন সময়ে আমেরিকা, সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ গবেষণায় অনেকটাই এগিয়ে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পেরিয়ে চন্দ্র, মঙ্গল গ্রহে পৌঁছানোর আর কিছু সময়ের অপেক্ষা। এদের সাথে তুলনা করলে, পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে রকেট উৎক্ষেপণ করা অত্যন্ত ক্ষুদ্র পদক্ষেপ বলেই গণ্য হবে। আসলে ভারতবর্ষে মহাকাশ গবেষণার লক্ষ্য বিক্রম সারাভাই-এর কাছে খুব স্পষ্ট - দেশের মানুষের উন্নতিসাধন। অন্য কোনো দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামা নয়। প্রথমেই তিনি পরিষ্কার করে দেন, ভারতের গন্তব্য পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল, অর্থাৎ মহাকাশে মাত্র ৪০-২০০ কিলোমিটার। এই গবেষণার জন্য ছোট রকেটই যথেষ্ট। এর মাধ্যমে আবহাওয়া, কৃষিকার্য এবং মহাজাগতিক রশ্মি বিষয়ক গবেষণা করা সম্ভব। যদিও বিক্রম সারাভাইয়ের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল উপগ্রহের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার, কিন্তু তৎকালীন পরিস্থিতিতে নিজস্ব উপগ্রহ তৈরি করতে গেলে অনেক সময় এবং অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন। তাই তিনি ঠিক করলেন প্রাথমিক পর্যায়ে অন্য দেশের উপগ্রহ থেকে পাঠানো সংকেত ব্যবহার করে ভারতের অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা, কৃষিক্ষেত্রে মহাকাশ প্রযুক্তির প্রয়োগ করা যাক। এরজন্য প্রয়োজন একটি গ্রাহক কেন্দ্র (Receiving Station)। জাপান, ইউনাইটেড নেশনস (UN) এবং ITU (International Telecommunication Union)-এর প্রযুক্তিগত সহায়তায় আমেদাবাদে তৈরি হলো প্রথম গ্রাহককেন্দ্র। ১৯৬৭-র আগস্টে আমেরিকার কৃত্রিম উপগ্রহ ATS-2 থেকে সংকেত পাওয়া সম্ভব হল এই গ্রাহককেন্দ্রে। বিক্রম সারাভাইয়ের দৌলতে ভারতের আণবিক শক্তি কমিশন আমেরিকার নাসার সঙ্গে 'Television Development Program' চুক্তি স্বাক্ষর করল। এই চুক্তি অনুযায়ী নাসা তাদের আগামী কৃত্রিম উপগ্রহ ATS-6 ভারতবর্ষের উপরে অবস্থান করাবে, যার ফলে দূরদর্শনের মাধ্যমে দেশের দূর-দূরান্তের প্রত্যন্ত গ্রামেও সম্প্রচার করা সম্ভব হবে।

ইতিমধ্যে মহাকাশ গবেষণার মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি প্রয়োগ করা সম্ভব হয়েছে, ভারতে এসেছে সবুজ বিপ্লব। সে গল্প না হয় পরে করা যাবে। মোটকথা, মহাকাশ গবেষণা কিভাবে দেশের উন্নতি সাধন করতে পারে তা বেশ কিছুটা পরিষ্কার হয়েছে। তাই ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার প্রতিষ্ঠা করল ইসরো - ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (Indian Space Research Organisation - ISRO)I INCOSPAR এখন থেকে পরিচিত হল ইসরো হিসাবে। প্রথম চেয়ারম্যান স্বাভাবিকভাবেই ভারতে মহাকাশ বিজ্ঞানের জনক বিজ্ঞানী বিক্রম সারাভাই। প্রতিষ্ঠার মাত্র বছর দেড়েক পরেই ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় বিক্রম সারাভাই-এর। ভারতে মহাকাশ গবেষণা কিন্তু থেমে যায়নি, তাঁর উত্তরাধিকারীরা অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন তাঁর স্বপ্নকে। নাসা ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে উৎক্ষেপণ করে ATS-6, সারাভাই-এর করা ১৯৬৯-চুক্তি অনুযায়ী ATS-6-কে ভারতের উপরে এক বছরের জন্য রাখা হয়। শুরু হয় এক অভূতপূর্ব গবেষণা - SITE (Satellite Instructional Television Experiment)। শিক্ষা প্রসারে উপগ্রহ প্রযুক্তি প্রয়োগের উপকারিতা বোঝার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছিল এই পরীক্ষা। সম্প্রচার মন্ত্রক, শিক্ষা মন্ত্রক এবং ইসরোর তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছিল SITE। এই পরীক্ষা সফল করে তুলতে ইসরোর অবদান ছিল অসীম। নানারকমভাবে কাজ করতে হয়েছিল। বিভিন্ন দূরবর্তী গ্রামে গ্রাহক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা, সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সামলানো, সম্প্রচার মন্ত্রক এবং শিক্ষা মন্ত্রককে প্রযুক্তিগত সাহায্য করা, মহাকাশ সংক্রান্ত প্রযুক্তির ব্যবহার করা ছাড়াও এমনকি অনুষ্ঠান তৈরির ব্যাপারে মতামত দিয়েও সাহায্য করেছিলেন ইসরোর কর্মচারীরা। এক বছর ধরে ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সমস্ত দর্শকদের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন বিষয় যেমন বিজ্ঞান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা প্রসূতি স্বাস্থ্য, কৃষি, বয়স্ক শিক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিষয়ক প্রায় ১২০০ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়েছে। ২৪০০ গ্রামের প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল সম্প্রচার। দু' লাখ মানুষ উপকৃত হয়েছিলেন এই সম্প্রচারের ফলে। এক বছর ধরে প্রায় পঞ্চাশ হাজার বিজ্ঞান শিক্ষক উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পেয়েছিলেন। গোটা দেশ বুঝতে পেরেছিল মহাকাশ গবেষণার প্রয়োজনীয়তা এবং সুফল। উপগ্রহ ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থাই যে ভবিষ্যতের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম হতে চলেছে এ নিয়ে আর কোন সন্দেহ ছিল না। বিক্রম সারাভাই-এর যে স্বপ্ন ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে অন্যান্যদের কাছে কল্পনা মনে হয়েছিল, অবশেষে তা হাতে কলমে করে দেখানো গিয়েছিল তারই তৈরি করা পথ অনুসরণ করে। এইভাবেই এক বিস্ময় প্রতিভা তাঁর দূরদর্শিতার মাধ্যমে দেশকে স্বাধীনতার পরে অনেকটা এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছিলেন। তাই সঠিকভাবেই বিজ্ঞানী বিক্রম সারাভাই ভারতবর্ষে মহাকাশ গবেষণার জনক।


References:

1. https://www.isro.gov.in
2. https://www.nasa.gov
3. https://www.thehindu.com/infographics/2025-07-25/indias-space-journey/index.html
4. 'From Fishing Hamlet to Red Planet: India's Space Journey' by Indian Space Research Organization, 2015.
5. 'India in Space: Between Utility and Geopolitics' by M. Aliberti, Springer, 2018.

ছবি সৌজন্য: ISRO, IndiaTimes.

পরিচিতি: অধ্যাপক, গবেষক।