ভিতরে বিগ্রহ ভাঙা
দাঁত ও স্বর্ণের দুল সে-ই কবে চুরি হলো –
স্বল্প তেলে সমৃদ্ধ সলতে, ছোটো মোম
রাত দশটায় মরে যায়!
আয়ুষ্মতী অন্ধকার তেড়ে আসে
বাদুড়ের বিষ্ঠা ঝরে
শ্যামার কুন্তলে।
গোখরোর হিম বুক স্তনের গোড়ালি বেয়ে
পোকা খোঁজে
শ্যাওড়ার ঘনঝোপে – শটিবনে।
কাকভোরে যুবতী নেয় না তুলে
বাসিফুল দুধ কলা ফলার প্রসাদ।
দুপুরে দোয়েল আর শালিকের ঠোঁট
চুনকাম করে
দেবীর শরীর গলা ঘাড় আর চারটি লতানো বাহু।
সন্ধ্যায় কাসর-ঘণ্টা উলুধ্বনি খোল-করতাল
কিছুই বাজে না আজ!
কাঁপে না কিশোরী-বুক, নাচে না তল্লাট, ছোটে না কিশোর!
সারারাত ধীরে ধীরে ঝরে পড়ে
পুরনো সুরকি ইট – ঘুমানো আস্তর
যেন স্তব্ধ আর্তনাদে ফেটে পড়ে রোঁয়াওঠা শহুরে কুকুর!
তবুও কঁকিয়ে ওঠে
সিঁদুরের ফোঁটা
লাজুক ঘোমটা সাদা শাঁখা মাটির প্রতিমা
বোন
আমাদের গাঁয়ের মন্দির।